আগামী বর্ষায় আদি বুড়িগঙ্গাকে পুরোনো চেহারায় ফেরাতে চায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে নদীর সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। এবার স্থায়ীভাবে আদি বুড়িঙ্গা উদ্ধার করে নদীর দুই পাশে ১৪ কিলোমিটার সাইকেল লেন ও ওয়াকওয়ে তৈরির পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সিটি করপোরেশন।
দখল-দুষণে সাত কিলোমিটার আদি বুড়িগঙ্গা প্রায় মৃত। উচ্চআদালতের নির্দেশনা মেনে চলতি বছরেই নদী উদ্ধারে মাঠে নামে দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। গেল তিন মাসে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে নদীর জায়গা উদ্ধার করে শুরু হয় খনন কাজ। আগামী বর্ষায় আদি বুড়িঙ্গায় পানির স্রোত দেখতে পাবে শহরের মানুষ।
মেয়র তাপস বলেন, “ঢাকার গোড়াপত্তন যে নদীমুখী সেই নদীর অববাহিকা পুনরুজ্জীবিত হবে। বাজেটে আরও কিছু সংশোধনী এনে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হবে। আদি বুড়িগঙ্গার রূপ ফেরাতে ইতিমধ্যে পরামর্শ নিয়োগ করা হয়েছে। সব প্রতিবন্ধকতা সরিয়ে দ্রুতই আদি বুড়িগঙ্গা পারকে সাজাতে চান দক্ষিণের মেয়র।
ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস জানান, “নদী দখলের যে মহোৎসব এটাই বড় প্রতিকূলতা। সেই প্রতিকূলতা অতিক্রম করে দু’পাশেরই ভূমিদস্যুদের হাত থেকে দখলমুক্ত করেছি। বড় বড় ভবনও ভাঙ্গা পড়েছে। আশা করছি, আগামী বর্ষা মৌসুমে এই আদি বুড়িগঙ্গা সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারবে।”
স্থায়ীভাবে উদ্ধার শেষে আদি বুড়িগঙ্গার দুই পাশে থাকবে ১৪ কিলোমিটার হাঁটার রাস্তা ও সাইকেল লেন। এজন্য বাজেটে থাকবে বাড়তি অর্থ বরাদ্দ।